Gst admission 2022
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ২০১৯ সালে প্রথম বারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে। এবার নতুন করে আরও দুইটিসহ মোট তিনটি গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০২০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অটো প্রমোশন দেয়াতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নতুন চ্যালেজ্ঞের মুখোমুখি। আজ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকছে বিস্তারিত।
আবেদন যোগ্যতাঃ
১.বিজ্ঞান= ৮.০০(৪থ বিষয়সহ)
২.মানবিক=৬.০০(৪থ বিষয়সহ)
৩.ব্যবসা=৬.৫০(৪থ বিষয়সহ)
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মোট ফলাফলের জিপিএ। এ ফলাফল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যতজন আবেদন করবেন তার থেকে সর্বোচ্চ ১,৫০০০০ জনকে পরীক্ষায় বসতে দেয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিক ১৯/২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২য় বার পরীক্ষা দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।
আবেদন ফি:
১ম বাছাই পদ্ধতি:
বিজ্ঞান বিভাগ:
মানবিক বিভাগ:
ব্যবসা বিভাগ:
কেন্দ্র নির্ধারণ যেভাবে:
গুচ্ছভূক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ:
১.জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ২.ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ৩.খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ৪.কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫.জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, ৬.বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ৭.বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ৮.রবীন্দ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ৯.শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, ১০.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১১.হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১২.মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৩.নোয়াখলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪.যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৫.পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৬.ব্গবন্ধু শেখ মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৭.রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৮.ব্ঙমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯.পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২০.ব্ঙবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়।
ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রসমূহ:
১.জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ২.ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ৩.খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ৪.কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫.জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, ৬.বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ৭.বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ৮.রবীন্দ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ৯.শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, ১০.শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১১.হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১২.মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৩.নোয়াখলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪.যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৫.পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৬.ব্গবন্ধু শেখ মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৭.রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৮.ব্ঙমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯.পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২০.ব্ঙবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, ২১.চট্টগাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২২.খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৩.রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৪.ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৫.বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৬.শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৭.চট্টগাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়, ২৮.সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
আসন সংখ্যা:
২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ২৩,১০৪ টি।
১.বিজ্ঞান = ১২০৭৬
২.মানবিক = ৫৭৫৪
৩.ব্যাবসা =২৮৫৮
(আসন সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে)
সকল বিভাগের ১০০ নাম্বারের বহূনিবাচনি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞান বিভাগের মানবন্টন:
১. পদার্থ= ২০
২. রসায়ন= ২০
৩. ইংরেজী =১০
৪. বাংলা= ১০
৫. জীববিজ্ঞান/গণিত/আইসিটি (যেকোনো দুইটি বিষয় উত্তর করতে হবে)= ৪০
মানবিক বিভাগের মানবন্টন:
১.বাংলা= ৪০
২.ইংরেজী= ৩৫
৩.আইসিটি= ২৫
ব্যাবসা বিভাগের মানবন্টন:
১.বাংলা= ১৩
২.ইংরেজী= ১২
৩.আইসিটি= ২৫
৪.হিসাব বিজ্ঞান= ২৫
৫.ব্যাবসা সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা= ২৫
কিছু প্রশ্ন ও উত্তর:
১.নেগেটিভ মার্কিং আছে? হ্যা আছে
২.ক্যালকুলেটর ব্যাবহার করা যাবে? না ব্যাবহার করা যাবে না
৩.বিভাগ পরিবর্তন করা যাবে? না করা যাবে না (গুচ্ছতে বিভাগ পরিবর্তন বলে কোনো ইউনিট নেই। আপনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চ্যান্স পাওয়ার পর আপনি চাইলে অন্য বিভাগের বিষয়ে ভর্তি হতে পারবেন।)
৪.আলাদা পাশ মার্ক আছে? না আলাদা পাশ মার্ক নেই । তবে আপনাকে ভালো নাম্বার উঠানোর চেষ্টা করতে হবে নতুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলারের বেড়াজালে আপনি আপনার পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হতে পারবেন না।
৫.কত পেলে চ্যান্স পাবো? এটার কোনো নির্দিষ্ট উত্তর নেই। তবে ৬৫+ পেলে আশা রাখতে পারেন।
৬.আলাদা কোনো রাফ কাগজ দিবে? না আলাদা কোনো কাগজ দিবে না। আপনাকে যে প্রশ্ন দিবে ঐটার মধ্যে আপনাকে রাফ করতে হবে।

Post a Comment